হেলাল সরকার : শখের বসে সব্জি সহ ফুলের বাগান করেন কানাডা টরন্টোর গ্রোভার ড্রাইভ এ বসবাসকারী আকতার হোসেন। সিমসাম সাজানো গোছানো একটি সৌখিন বিলাসী বাগান। কথা হয় আকতার হোসেন এর সাথে তার বাসায় ৭ সেপ্টেম্বর’২৫ তারিখে। বাগান পরিদর্শন করে যেটা সবচেয়ে বেশি নজর কারে সেটা একটি সূর্যমুখী ফুলের উপর। এতো বড় সূর্যমুখী ফুল আশ্চর্য হবারই কথা। যাহোক আকতার হোসেন কে এই ফুলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তিনি বলেন এই ফুলটি শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধিই করেনা-এটার অনেক গুনাগুনও রয়েছে।
সূর্যমুখী বীজে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (যেমন ওলেইক অ্যাসিড এবং লিনোলিক অ্যাসিড) এবং ভিটামিন ই হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমায়। ভিটামিন ই এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। এই বীজে থাকা ম্যাগনেসিয়াম মানসিক চাপ কমাতে এবং মনকে শান্ত রাখতে সহায়ক। ভিটামিন ই ত্বককে স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল রাখে এবং চুলের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যমুখী বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এতে থাকা ফাইবার ও প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে অতিরিক্ত খাওয়া কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। সূর্যমুখী বীজে থাকা বি ভিটামিন শরীরের শক্তি বাড়াতে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় মুয়েসলি বা স্মুদির সাথে মিশিয়ে, অথবা সালাদে ছিটিয়ে দিয়ে সূর্যমুখী বীজ খাওয়া যেতে পারে। তবে, ভাজা ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত বীজ খেলে উপকার কমে যায়, তাই পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক পদ্ধতিতে এটি খাওয়া উচিত।

