নিজস্ব প্রতিবেদক : একাত্তর সালে বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় ও গৌরবময় ইতিহাস হলো, বাঙালি এক হয়েছিল। ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণী, পেশা ভুলে মানুষ এক হয়ে, এক কাতারে নিজেদের বিবেচনা করেছিল। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আবার এক হওয়ার প্রয়োজন হয়েছে। আমরা এক হয়ে যে কাজগুলো করতে চেষ্টা করছি, তার সাফল্য কি জানি না। কিন্তু, সম্মিলিতভাবে কাজ করার ভাবনা বা চেষ্টা আমাদের মধ্যে আছে। এটাকে ধরে রাখতে হবে।


গত ১৬ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, টরন্টোর ১৫৫০ ড্যানফোর্থ এভিনিউ’র ইউনাইটেড হোপ চার্চ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক কণ্ঠশিল্পী, আবৃত্তিকার ও নৃত্যশিল্পীদের প্রতি মুক্তমঞ্চের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও অভিবাদন।


এই অনুষ্ঠানটি এমন চমৎকারভাবে দর্শকদের সামনে উপস্থাপিত করা হলো, যেন উপস্থিত সকলে গভীরভাবে উপলব্ধি করলো মুক্তিযুদ্ধের শাণিত চেতনা। বিশেষ করে এবারের বিজয় দিবসে এই আয়োজনের সমন্বয়কারী নাহিদ কবির কাকলিকে অভিনন্দন জানাই?


অভিনন্দন জানাই হিমাদ্রী রায়কে তার সর্ববিষয়ক দায়িত্বশীল নিরলস কাজের জন্য। অভিনন্দন জানাই মাহমুদুল ইসলাম সেলিম ভাইকে, মঞ্চসজ্জায় তাঁর হৃদয়গ্রাহী ও তাৎপর্যপূর্ণ ডিজাইনের জন্য।

আনত কুর্নিশ জানাই শিল্পী চিত্রা সরকার ও ড. রাখাল সরকারকে। তাঁদের অবদান ও প্রেরণা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত করে। গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই শিল্পী পার্থ সারথি সিকদার দাদাকে, শুদ্ধতার প্রশ্নে তাঁর স্পষ্ট ও দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব দেখে আমরা নির্ভরতার ভরসা পাই।

সবার প্রতি অবিরাম ভালোবাসা ও পরবর্তী আয়োজনে পাশে থাকার আহবান জানাই? জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

