স্পোর্টস ডেস্ক : অস্থায়ী আসন বসানোসহ সব ধরণের সংস্কার কাজ শেষ। ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত টরেন্টো স্টেডিয়াম। ফিফার ধারণক্ষমতার শর্ত পূরণ করেই বসানো হয়েছে অস্থায়ী আসনগুলো।
বিশ্বকাপের জন্য মঙ্গলবার স্টেডিয়ামটি উন্মোচন করা হয়।
স্টেডিয়ামের অস্থায়ী আসন নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। তবে ম্যাপল লিফ স্পোর্টস অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্টের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা নিক ইভস বলেন, ‘গ্যালারিগুলো পুরোপুরি নিরাপদ।’
এবারের বিশ্বকাপের ১৬টি ভেন্যুর মধ্যে টরেন্টোর স্টেডিয়ামটিই সবচেয়ে ছোট। এর স্বাভাবিক আসনসংখ্যা প্রায় ২৮,০০০ হলেও বিশ্বকাপ আয়োজনের মান পূরণে প্রায় ১৭,০০০ অতিরিক্ত আসনসহ নানা উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে।
মাসের শুরুতে অস্থায়ী গ্যালারির নিচের স্ক্যাফোল্ডিংয়ের ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল নেতিবাচক। একজন ভক্ত এক্স-এ লিখেছিলেন, “সম্মানের সঙ্গে বলছি, আমাকে টাকা দিলেও আমি ওখানে ওঠা, দাঁড়ানো বা বসব না।”
ইভস জানান, টরেন্টো ‘অ্যারেনা গ্রুপ’ নামের একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে কাজ করেছে এবং অনলাইনে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরও বলেন, আগামী ৯ মে লিওনেল মেসির ইন্টারি মায়ামি ও টরেন্টো এফসির মধ্যকার ম্যাচটিতে নতুন অবকাঠামোর পূর্ণ পরীক্ষা করা হবে।
টরেন্টোতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের এক মাস আগে ফিফা ১৩ মে থেকে স্টেডিয়ামের নিয়ন্ত্রণ নেবে।
টরেন্টো সিটির বিশ্বকাপ আয়োজন কমিটির নির্বাহী পরিচালক শ্যারন বোলেনবাখ বলেন, ফিফা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ কঠোরভাবে তদারকি করেছে, ‘তারা প্রতিটি আসন গুনে, প্রতিটি আসন পরীক্ষা করে, দৃশ্যমানতা যাচাই করে- আমাদের কাজ অনুমোদনের আগে ফিফা একাধিকবার পরিদর্শন করেছে। ছয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের জন্য নির্ধারিত ৩৮০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের বাজেট অতিক্রম করার সম্ভাবনা নেই। তবে কঠোর শীত ও ভারী তুষারপাতের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
এটি মাঠের ঘাসের জন্যও কিছু জটিলতা তৈরি করে। মাঠটি ৯৫ শতাংশ প্রাকৃতিক ঘাস এবং ৫ শতাংশ কৃত্রিম উপাদানের মিশ্রণে তৈরি, যা ফিফার সুপারিশেই করা হয়েছে।
সূত্র: বাসস
