অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটোর সঙ্গে তার সম্পর্ক নতুন করে ভাবতে হতে পারে। ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এই সংঘাত শেষ হওয়ার পর ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আবার পর্যালোচনা করতে হবে। তবে শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রুবিও জানান, তিনি আগে মার্কিন সিনেটের সদস্য থাকাকালে ন্যাটোর শক্ত সমর্থক ছিলেন। কারণ তিনি মনে করতেন, ইউরোপে ন্যাটোর মিত্র দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি থাকার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় দ্রুত সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারে।
কিন্তু এখন যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে যুক্তরাষ্ট্র সেই ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারবে না, তাহলে ন্যাটো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একমুখী সম্পর্ক হয়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘যদি ন্যাটো জোটের অর্থ হয়, আমরা সেই ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারব না।
আমরা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষার জন্য আর সেই ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারব না, তাহলে ন্যাটো একটি একমুখী পথ।’
রুবিও আরো বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো মিত্রদের বিমান হামলা চালাতে বলছে না। তবে যখন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চায় এবং তারা ‘না’ বলে, তখন প্রশ্ন ওঠে, যুক্তরাষ্ট্র কেন ন্যাটো জোটে থাকবে?” সম্প্রতি কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে। এর পরই রুবিও এমন মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অভিযানে যাওয়ার পথে একটি মার্কিন বিমানকে ইতালি অবতরণের অনুমতি দেয়নি। এর আগে সোমবার স্পেনও ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো মার্কিন বিমানগুলোর জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।
সূত্র : আল-অ্যারাবিয়া
