অনলাইন ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বন্ধের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন সিনেট। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ায় এই ভোটের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক কী প্রভাব পড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
খবর রয়টার্সের।
সিনেটে উত্থাপিত সমান্তরাল (কনকারেন্ট) প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে পাস হয়। চলতি মাসের শুরুতে প্রতিনিধি পরিষদেও এটি অনুমোদিত হয়েছিল। ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকানদের মধ্যেও ইরান যুদ্ধ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে এ ভোটকে দেখা হচ্ছে।
দলীয় অবস্থানের ভিত্তিতেই মূলত ভোটাভুটি হয়েছে। চারজন রিপাবলিকান সিনেটর সব ডেমোক্র্যাট সদস্যের সঙ্গে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। তবে একজন ডেমোক্র্যাট এর বিরোধিতা করেন এবং দুই রিপাবলিকান ভোটদানে বিরত থাকেন।
প্রস্তাবে ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এটি মূলত প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবেই থেকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট অনুযায়ী, এ ধরনের প্রস্তাব প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয় না। তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, প্রস্তাবটি সাংবিধানিক নয় এবং তাই এটি প্রশাসনের জন্য বাধ্যতামূলকও নয়।
এদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ২০২৩ সাল থেকে সংঘটিত ‘পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞ’ নথিভুক্ত করতে জাতিসংঘের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা লেবাননের গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
তিনজন সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত ‘বেসামরিক সম্পদ সুরক্ষা ও পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞ প্রতিরোধবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিশন’ জানিয়েছে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের অনুরোধে এ দল গঠন করা হয়েছে।
লেবাননের দৈনিক ল’ওরিয়ঁ-ল্য জুর–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার মাসব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করবে দলটি। এ সময়ে তারা বৈঠক ও মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনের মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও নথিভুক্ত করবে। বিষয়টি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আশরাফ বায়দুন।

