অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র মুখে মাদক পাচারের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সম্পৃক্ততার কথা বললেও তাদের দৃষ্টি দেশটির তেলসম্পদ ‘হরণের’ দিকে–ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর পর এমনটিই বলেছিলেন বিশ্লেষকরা। মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশেষ অভিযানে মাদুরোকে আটকের পর একই অভিযোগ করলেন খোদ দেশটির এক কংগ্রেসম্যান।
ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জ্যাক অচিনক্লজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সিএনএনকে বলেছেন, ‘তেলের জন্যই এ রক্তপাত। এর সঙ্গে মাদক পাচারের কোনো সম্পর্ক নেই। মাদকের বেশিরভাগই ইউরোপের দেশগুলোয় যায়। আর কোকেন সেই মাদক নয়, যেটি মার্কিনিদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। বরং সেটা ফেন্টানিল, যা চীন থেকে আসে।’
জ্যাক আরও বলেন, ‘এ বিষয়টা বরাবরই আলোচনায় ছিল, বিশ্বের বুকে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলাতে।’
তবে ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোকে উৎখাতের পেছনে বরাবরই যুক্তি দাঁড় করিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট মাদুরো, তার স্ত্রী আর সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার ও অন্যান্য অপরাধের’ জন্য দায়ী। যদিও কারাকাসের পক্ষ থেকে বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপের বিষয়ে জ্যাক বলেন, ‘শেভরনের (যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানি) কাছে ভেনেজুয়েলার তেলের মজুত কাজে লাগানোর চুক্তি ও অর্থ বিভাগের অনুমতি রয়েছে। এই প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর প্রধানদের কাছে তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করছেন।’

