অনলাইন ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে নতুন এক কূটনৈতিক তৎপরতা সামনে এসেছে। ইরানের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান।
আলজাজিরার এক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি বিশেষ নথি ইতিমধ্যেই ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করেছে ইসলামাবাদ।
বর্তমানে পাকিস্তান ও পুরো বিশ্ব এখন তেহরানের আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই আলোচনার ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইসলামাবাদে ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এদিকে সংঘাত এড়াতে কেবল পাকিস্তান নয়, তুরস্কও সক্রিয় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির পররাষ্ট্র বিষয়ক সহ-সভাপতি হারুন আরমাগান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আঙ্কারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘সেতুবন্ধন’ হিসেবে কাজ করছে। তুরস্কের লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সরাসরি আলোচনার একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় দেশের সাথেই তুরস্কের মজবুত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকায় দেশটি নিজেকে একটি শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। এখন দেখার বিষয়, পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো এই প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে শান্তির নতুন কোনো পথ খুলে দেয় কি না।

