নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে ফের বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলেন কানাডা প্রবাসী বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মৌ মধুবন্তী। ‘রাইটার্স ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন’ (Writers Capital International Foundation) আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘প্যানোরমা ইন্টারন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এ ভ‚ষিত হয়েছেন তিনি। তাঁর লেখা ‘The Art of Haiku & Tanka’ বইটির জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
দীর্ঘ পথচলা ও স্বীকৃতি : মৌ মধুবন্তীর এই অর্জন একদিনের নয়। ২০২০ সাল থেকে তিনি ‘রাইটার্স ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন’-এর সাথে যুক্ত থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সাহিত্যের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটি তাঁকে বারবার সম্মানিত করেছে। এর আগেও এই ফাউন্ডেশনের বিখ্যাত প্রকাশনা ‘Quill Compendium’-এ মৌ মধুবন্তীর ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘Dearly Alone’ ফিচার্ড হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক পাঠকমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।
নতুন দায়িত্ব ও নেতৃত্ব : শুধুমাত্র একজন লেখক হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক ও সম্পাদক হিসেবেও মৌ মধুবন্তী নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। ২০২৬ সালের ‘প্যানোরমা ইন্টারন্যাশনাল লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল’-এর ডিরেক্টর অফ লিটারেচার অ্যান্ড কালচার (Director of Literature & Culture) হিসেবে তিনি ইতিমধ্যেই দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি নতুন পালক- তিনি এ বছর ‘Quill Compendium’-এর এডিটোরিয়াল বোর্ডের একজন সম্মানিত এডিটর হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
গবেষণা ও সৃজনশীলতা : সৃজনশীল সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি গবেষণাধর্মী কাজেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। প্রতি বছরই প্যানোরমা ফেস্টিভ্যালের নির্দিষ্ট থিম বা বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে কবিতা লিখে তিনি কন্ট্রিবিউট করে আসছেন। এছাড়া ২০২৪ সালে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে তিনি গবেষণাধর্মী লেখা নিয়ে অংশগ্রহণ করেন, যা বোদ্ধামহলে সমাদৃত হয়।
হাইকু এবং তানকার মতো জাপানি কবিতার ফর্মে তাঁর দক্ষতা এবং ‘The Art of Haiku & Tanka’ বইটির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে, বাংলা সাহিত্যের সীমানা পেরিয়ে তিনি নিজেকে একজন বিশ্বমানের লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বিশ্বসাহিত্যের এই মঞ্চে মৌ মধুবন্তীর এই জয়যাত্রা আগামীতে আরও সুদূরপ্রসারী হবে- এমনটাই প্রত্যাশা তাঁর ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের।

